মর্গান রজার্স ১১ কোটি ৭০ লাখ পাউন্ডে চেলসিতে যোগ দেওয়ার পর সাবেক ব্লুজ ডিফেন্ডার জন টেরি আর্সেনালকে খোঁচা দেওয়ার সুযোগ নেন। তিনি বলেন, রজার্স এমন একটি ক্লাব বেছে নিয়েছেন, যাদের চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ের ইতিহাস ও আবার শিরোপা জয়ের সামর্থ্য—দুটিই রয়েছে।

গত মৌসুমে অ্যাস্টন ভিলার হয়ে রজার্স দারুণ খেলেছেন; লিগে করেছেন ১০ গোল ও ৬টি অ্যাসিস্ট। দলকে ইউরোপা লিগের শিরোপা জিততেও সহায়তা করেছেন তিনি। খবর অনুযায়ী, আর্সেনাল অনেক আগেই তাঁকে প্রধান দলবদল লক্ষ্য বানিয়েছিল এবং লড়াইয়েও এগিয়ে ছিল; শেষ পর্যন্ত অবশ্য চেলসি তাঁকে দলে নেয়।

পিয়ার্স মরগানের অনুষ্ঠানে এই আলোচিত দলবদল নিয়ে টেরি বলেন, “দলবদলের বাজার ক্রমেই ব্যয়বহুল হচ্ছে, তবে আমার দৃষ্টিতে এটি খেলোয়াড়ের নিজের সমস্যা নয়।”
চুক্তিটি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে টেরি আর্সেনালকে খোঁচা দিয়ে বলেন, “এটি স্পষ্ট যে সে এমন একটি দলে যোগ দিয়েছে, যাদের চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ের ইতিহাস আছে এবং আবার সেই শিরোপার জন্য লড়ার সামর্থ্যও আছে। সে কারণেই লন্ডনের অন্য লাল দলটির বদলে আমাদের বেছে নিয়েছে।”
“সত্যি বলতে, তার অবস্থান থেকে আর্সেনাল খুবই আকর্ষণীয় বিকল্প হতে পারত। তাই চেলসির প্রস্তাব নিশ্চয়ই অত্যন্ত ভালো ছিল। তবে তার আগমনের অপেক্ষায় আছি; সে অসাধারণ খেলোয়াড়। আমার বিশ্বাস, সে বর্তমান দলের মান বাড়াবে এবং স্কোয়াডের গভীরতা শক্তিশালী করবে। তাকে মাঠে দেখার জন্য আমি খুবই আগ্রহী।”
খেলোয়াড়েরা শিরোপার দাবিদার দল বেছে নেওয়ার বদলে পারিশ্রমিককে অগ্রাধিকার দিলে তিনি তা বুঝতে পারেন কি না—এ প্রশ্নে টেরি বলেন, “আমি ১৪ বছর বয়সে চেলসিতে এসেছিলাম এবং ধীরে ধীরে ক্লাবটিকে ভালোবেসেছি। দলের সঙ্গে আমার সম্পর্ক অনন্য। তাই যে ৯৫ শতাংশ খেলোয়াড় আমার মতো ভাবে না, তাদের হয়ে আমি কথা বলতে পারি না।”
“আমি কখনো চেলসি ছাড়তে চাইনি। অবশ্যই, তখন আমাদের মালিক আর্থিকভাবে শক্তিশালী ছিলেন এবং অন্য ক্লাবের সমান শর্তে আমাকে চুক্তি দিয়েছিলেন। এমন বেতন অন্য কোথাও পাওয়া খুব কঠিন ছিল।”
“আনুগত্যের প্রসঙ্গ বাদ দিলেও প্রশ্নটি আমার জন্য খুব ন্যায্য নয়। আমি চেলসিকে ভালোবাসি; এটি আমার দল। তাই এমন পছন্দের সঙ্গে একমত হওয়া আমার জন্য কঠিন। তবে কোনো খেলোয়াড়ের যদি আমার মতো গভীর টান না থাকে, আমি তা বুঝতে পারি। একজন খেলোয়াড়ের ক্যারিয়ার খুব ছোট এবং সেরা সময় চোখের পলকে চলে যায়।”
রজার্সের আগমনে টেরি আনন্দিত হলেও কুকুরেয়ার রিয়াল মাদ্রিদে চলে যাওয়া নিয়ে তাঁর আফসোস রয়েছে। তিনি বলেন, “তার রিয়াল মাদ্রিদে যাওয়ার খবর প্রথম শুনেই বলেছিলাম, আমি খুব হতাশ। তার একের বিপক্ষে এক রক্ষণ নিয়ে প্রায়ই ভাবি; সাকার সঙ্গে তার বহু দ্বৈরথও মনে আছে।”
“চেলসি-সমর্থক হিসেবে এই ডিফেন্ডারের বৈশিষ্ট্যগুলো আমার পছন্দ: দ্বৈরথে তীব্র, চাপ দিতে সাহসী, জয়ের প্রবল ক্ষুধা এবং পুরোপুরি নিবেদিত। প্রশিক্ষণকেন্দ্রে তার সঙ্গে আমার দেখা হয়েছে। সে জন্মগত বিজয়ী; আমরা একজন বিশ্বকাপজয়ী খেলোয়াড়কে হারিয়েছি।”
“সে অসাধারণ মানের খেলোয়াড় এবং মানুষ হিসেবেও খুবই সদয়। রিয়াল মাদ্রিদে মরিনিয়ো তাকে ভীষণ পছন্দ করবেন; সে মরিনিয়োর কৌশলগত চাহিদার সঙ্গে পুরোপুরি মানানসই।”
456BD নিরাপদ ব্যবহারের সতর্কতা
শুধু ১৮+ ব্যবহারকারীর জন্য। স্থানীয় আইন মেনে চলুন, অফিসিয়াল ঠিকানা যাচাই করুন, ওটিপি বা পাসওয়ার্ড শেয়ার করবেন না এবং বিনোদনের বাজেট সীমা আগে নির্ধারণ করুন।